এখন আমের ভরা মৌসুম। প্রতিবারের মতো এবারও উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের ডালি পাড়ায় আমের টুকরি (আম পরিবহনের জন্য বাঁশের তৈরি ঝুড়ি) তৈরি করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শ্রমিকরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারী ও শিশুসহ পরিবারের সকল সদস্যই টুকরি তৈরির কাজ করছে। পরিবেশ বান্ধব এই টুকরিগুলো দেশের বিভিন্ন জেলাতে বিক্রি করা হয় এবং চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করা হয়। টুকরি তৈরির কারিগর হাবিবুর রহমান জানান, তার পরিবারের চার সদস্যের সবাই এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি আরও জানান, দাদা-দাদীর আমলে আমের মৌসুমে ৩ মাস ধরে আমাদের গ্রামের ৩০০ পরিবার এই কাজের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে বর্তমানে ১২০ পরিবার এ পেশার সাথে জড়িত। টুকরি তৈরির কারিগর বজলুর রহমান জানান, আগে বাঁশের উত্পাদন বেশি ছিল দামও কম ছিল। বর্তমানে বাঁশের দাম অনেক বেশি হওয়ায় অনেক পরিবার এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েছে। এবার আমের উত্পাদন কম হওয়ায় টুকরির চাহিদাও কম। মূলধন না থাকায় চড়া সুদে লোন নিয়ে লাভের টাকা সুদখোর মহাজনদের দিতে হয়। এছাড়া বর্তমানে প্লাস্টিকের ঝুড়ির সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ছে।
