ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি জহিরুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় পঞ্চগড়ের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে এই মামলাটি দায়ের করেন নিহত জহিরুলের স্ত্রী রেজিয়া খাতুন। মামলায় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন বিজিবি সদস্যকে। বিচারক তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পঞ্চগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
গত রবিবার দিবাগত রাতে পঞ্চগড় জেলা কারাগার থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তির পর মারা যান জহিরুল। তার বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার গরিণাবাড়ি ইউনিয়নের গাড়িয়ানপাড়া গ্রামে। জহিরুলের স্বজনদের অভিযোগ, বিজিবি সদস্যদের নির্যাতনের কারণে জহিরুলের মৃত্যু হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত শনিবার (১৪ জুন) সকালে বিজিবি মিস্ত্রিপাড়া বিওপি’র সদস্যরা জহিরুলের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এই ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে দেড় বছরের কারাদণ্ড দেয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ প্রসঙ্গে পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আরিফুল হক বলেন, তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
