যশোরে গুলি ও বোমা হামলায় আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৪, ২২:২৬
যশোরে দলীয় প্রতিপক্ষ গ্রুপের গুলি ও বোমায় আহত সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন (৩৮) অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন। হামলার ২৪ দিন পর গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২৫ মে রাতে দুর্বৃত্তরা বোমা মেরে ও গুলি করে গুরুতর আহত করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এলাকাবাসী জানায়, গত ২৫ মে রাতে যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট চামড়ার বাজারে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন আলমগীর। রাতেই গুরুতর অবস্থায় তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি টিটো ও তার ছেলে জয়ের পক্ষের লোকজন বলে রাতেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন আহত আলমগীর। পরদিন ২৬ মে সকালে তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাজারহাট চামড়ার বাজারের আড়তদার রুস্তম আলী জানান, ২৫ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার আড়তের সামনে বসেছিলেন আলমগীর। এ সময় পার্শ্ববর্তী আকবর মার্কেটের মধ্যে থেকে ৮-১০ দুর্বৃত্ত সেখানে এসে অন্তত ১০টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে কাছ থেকে তাকে গুলি করে। তার গলা, বুক ও পেটে ৩টি গুলিবিদ্ধ হয়। দুর্বৃত্তরা মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে রেখে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দ্রুত তার অস্ত্রপচার করা হলেও শরীর থেকে সবগুলো বুলেট অপসারণ সম্ভব হয়নি বলে হাসপাতাল সূত্র জানায়। এ কারণে পরদিন সকালে তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য হেলিকপ্টারে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর আগে যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের উপস্থিতিতে হাসপাতালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিয়াকত আলী শেখের কাছে জবানবন্দি দেন আলমগীর। জবানবন্দিতে তিনি ওই এলাকার টিটো গ্রুপের ক্যাডার পাগলা শাহীন, মহব্বত, ফসিয়ার ও সিদ্দিকের নাম উল্লেখ করেন।