পশ্চিমের ৫ জেলায় পাসপোর্ট অফিস আছে, কাজ নেই। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বেকার বসে আছেন। মাগুরা, ঝিনাইদহ, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় গত বছরের মার্চে পাসপোর্ট অফিস খোলা হয়েছে। একজন কর্মকর্তাসহ ৮ জন করে লোকবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু অফিস থাকলেও পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে না। ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইল জেলার বাসিন্দাদের যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার বাসিন্দাদের কুষ্টিয়া অফিস থেকে পাসপোর্ট করতে হয়। পাসপোর্ট করতে এসব জেলার বাসিন্দাদের কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া যশোর পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্যের কথা মাঝে-মধ্যে মিডিয়াতে প্রচারিত হয়। ২০০৮ সালে এসব জেলায় পাসপোর্ট অফিস খোলা হয়েছিল। জেলা প্রশাসকের অফিসে পাসপোর্ট অফিসগুলো। একজন ম্যাজিস্ট্রেট পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বে থাকতেন। আর জেলা প্রশাসকের অফিসের কর্মচারী দিয়ে অফিসগুলো চালানো হতো। ২০১১ সালে অফিসগুলো তুলে দেয়া হয়। গত বছরের মার্চ মাসে নতুন করে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অফিস খোলা হয়েছে। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও পাসপোর্ট দেয়া শুরু হয়নি। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বসে বসে সময় কাটান, আর বেতন নেন। বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় মানুষের পাসপোর্ট করার সংখ্যাও অনেক গুণ বেড়েছে।
খুলনা বিভাগের পাসপোর্টের সহকারী পরিচালক জানান, বর্তমানে হাতে লেখা পাসপোর্ট উঠে গেছে। সকল পাসপোর্ট মেশিন রিডেবল। এ পাসপোর্ট তৈরিতে যে মেশিন লাগে তা সরবরাহ করা হয়নি। বাজেটের পর টেন্ডারের মাধ্যমে মেশিন কেনা হবে। তারপর অফিসগুলোতে দেয়া হলে পাসপোর্ট দেয়া শুরু হবে বলে তিনি জানান।
