বেশি মোটা, তাই মর্গেও ঠাঁই হল না অস্ট্রেলিয়ার এক দুর্ভাগা নাগরিকের। ওজন ২শ’ কেজি হওয়ায় একটি মর্গ কর্তৃপক্ষ লাশ রাখতে অস্বীকৃতি জানায়। আর তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠান পিলবারা ফিউনারেল সার্ভিসের এক পরিচালক। তিনি তার গাড়িতেই লাশ রাখেন। প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম মালিক জোয়ান কোমিংস অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে বলেন, তিনি তার গাড়িতেই লাশ রাখেন এবং তা ঠান্ডা রাখতে গাড়ির পুরো শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু রাখেন। তিনি প্রতি আধা ঘন্টা পরপর লাশের অবস্থা পরীক্ষা করেন। তিনি বলেন, হেডল্যান্ড হেলথ ক্যাম্পাস হসপিটালের মোটা মানুষের লাশ না নেয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়।
তিনি আরো বলেন, গত বছরও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সেবার ২৫০ কেজি ওজনের একজনের লাশ হিমঘরে রাখতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কুমিংস বলেন, ‘একবার ভাবুন তো-তিনি যদি আপনার মা হন। আপনার বলার কিছু কি থাকে!’
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার কান্ট্রি হেলথ সার্ভিস জানায়, হসপিটালে যেসব সরঞ্জামাদি রয়েছে তা দিয়ে দেড়শ কেজি ওজনের লাশ রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়। তবে কমপক্ষে ৩শ’ কেজি ওজনের লাশ যাতে রাখা যায় এমন সরঞ্জামাদি বসানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে শুধুমাত্র সরঞ্জামাদির অভাবে মোটা মানুষের লাশ না রাখার দাবি মানতে নারাজ কোমিংস। তিনি বলেন, ‘আমি এ ধরনের একটি হিমঘরে একটি বাচ্চা হাতি রাখতে পারি। আসলে তারা মানুষের লাশ রাখতে চায় না। আমার কথা হল, যদি তিনি আপনার মা, বাবা, জীবনসঙ্গী- কেউ হতেন, আপনি কি পারতেন তা প্রত্যাখান করতে।’ -এএফপি
