সমস্যায় জর্জরিত উত্তরাঞ্চলের ৪ লাইন বিশিষ্ট বৃহত্ রেল জংশনটি আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। স্টেশনে জনগণের বা যাত্রীদের সেবার কোন চিহ্ন থাকলেও রাজস্ব আদায়ের সব রকম ব্যবস্থা রয়েছে। রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে ২ থেকে ৩ গুণ। গত অক্টোবর থেকে রেলের ভাড়া ৩ থেকে ৪ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। অথচ যাত্রী সেবার মান একটুও বৃদ্ধি পায়নি। স্টেশনে বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় ছিনতাইকারীরা ছিনতাই করে অনায়াসে চলে যেতে পারে। স্টেশনে সৌর বিদ্যুত্ না থাকায় টিকিট ক্রয়ের সময় বিদ্যুত্ চলে গেলে অনেক ট্রেন যাত্রী বিনা টিকিটে ট্রেনে ওঠে পড়ে।
আর টিকিট কালেক্টারের হাতে ধরা পড়ে যাত্রীদের গুনতে হয় জরিমানাসহ গন্তব্যস্থানের টিকিট ভাড়া। এ রেল স্টেশনের প্ল¬াটফরমের চেয়ে রেল লাইন উঁচু! বয়স্ক পুরুষ, মহিলা ও ছোট শিশুর ট্রেনে উঠতে কষ্ট হয়। তাছাড়া ২, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর প্ল¬াটফরমে পানির সমস্যা দীর্ঘ ২ বছর ধরে বিদ্যমান।
এদিকে, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির পরে ২০১৩ সালের ১৫ আগস্ট ১ নম্বর প্লাটফরমের রেল স্টেশন কয়েকটি অফিস রুমসহ টিকিট কাউন্টারের সংস্কারের কাজ শুরু হয়।
পার্বতীপুর রেলওয়ের এসএসএই (ওয়ার্কস) তহিদুল ইসলাম জানান, এ কাজে ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৯শ ৮০ টাকা ৯০ পয়সা ব্যয় ধরা হয়েছে। কাজের মেয়াদকাল শুরুর দিন থেকে ২১০ দিন। ইতিমধ্যে ৩শ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। এ কাজ শেষ হতে আরো ৩ মাস সময় লাগবে বলে স্টেশন সূত্রে জানা যায়।
