ব্রিজের নিচে ও রেলপথ সুড়ঙ্গ করে ড্রেজারের পাইপ স্থাপন

আপডেট : ২০ জুন ২০১৪, ২১:৫০
চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথ ও ব্রিজের নিচে আবার ড্রেজার পাইপ স্থাপন করেছে বালু ব্যবসায়ীরা। অনুমতি না থাকার কারণে ১১ জন ড্রেজার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন এ পথের দায়িত্বে থাকা লাকসাম অফিসের কর্মকর্তা। তবে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি জিআরপি পুলিশ। রেলওয়ের লাকসাম অফিসের টাইম কিপার আ. রাজ্জাক সেন্টু জানান, কয়েকবার এসব ড্রেজার পাইপ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর আবারও চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথ সুড়ঙ্গ ও ব্রিজের নীচে ১১টি এসব স্থাপন করেছে এক শ্রেণির অসাধু ড্রেজার ব্যবসায়ী। তারা রেল বিভাগের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘ কয়েকবছর এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। অভিযানের সময় পাইপগুলো সরানো হলেও, কিছুদিন অপেক্ষা করে আবার শুরু করে তাদের এ পাইপ স্থাপন। যার কারণে দুর্বল এ রেলপথে ছোট খাট দুর্ঘটনা লেগেই আছে এবং ঝুঁকিতে থাকে রেলপথ। চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের দায়িত্বে থাকা এসএসএই (ওয়ে) লিয়াকত আলী জানান, চাঁদপুর লাকসাম রেলপথে ব্রিজ এবং রেললাইনের নীচে সুড়ঙ্গ করে পাইপ বসানো হয়েছে। ড্রেজার মালিকদের বিরুদ্ধে তিনি নিজে বাদী হয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২ জানুয়ারি ২০১৪ ও ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে পৃথক ও একসাথে জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন। এসব ড্রেজার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ৬ জুন একটি চিঠি প্রেরণ করা হয় চাঁদপুর জিআরপি থানায়। কিন্তু এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি। দিন দিন ড্রেজার ব্যবসায়ীদের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে এ পথে থাকা ড্রেজারের পাইপগুলো বসানোর সত্যতা পাওয়া যায়। মধুরোড এলাকায় যে পাইপটি স্থাপন করা হয়েছে এটির সংযোগ শুরু হয়েছে ছোট সুন্দর বাজার এলাকার ডাকাতিয়া নদী থেকে। এই সংযোগটি ওই এলাকার এলজিইডির নির্মাণ করা সড়ক সুড়ঙ্গ করে সড়ক ও বসত বাড়ীতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে মহামায়া পর্যন্ত আনা হয়েছে। এ বিষয়ে এলজিইডি কিংবা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানগণও কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।