নাটোরের অধিকাংশ ইটভাটা অবৈধ

আপডেট : ২০ জুন ২০১৪, ২১:৫১
জেলার অধিকাংশ ইট ভাটার মালিক মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট দেয় না। তাদের কাছে বকেয়া প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। নাটোর কাস্টমস অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় তালিকাভুক্ত ইট ভাটা আছে ৯৭টি। এর মধ্যে ৪৮টি ভাটার মলিক চলতি অর্থবছরে তাদের উত্পাদিত ইটের ওপর আরোপিত ভ্যাট জমা দিয়েছে। এর আগে প্রতিটি ইট ভাটার ওপর ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়। অপরদিকে জেলা প্রশাসকের অফিস সূত্রে জানা যায়, নাটোরে এ পর্যন্ত মোট ১০১টি ইট ভাটার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। কিন্তু চলতি অর্থবছরের শুরুতে মাত্র ৩৫টি ভাটার লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৬৬টির মধ্যে অধিকাংশ ভাটায় অবৈধভাবে ইট তৈরি করা হয়েছে। তবে কয়েকটি ভাটায় এবার ইট তৈরি করা হয়নি। জেলার অনেক ইট ভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক জাফরউল্লাহ জানান, তিন বছরের জন্য ইট তৈরির লাইসেন্স দেয়া হয়। প্রথম বছরে সবকিছু ঠিক থাকে। পরে নানা ব্যত্যয় ঘটে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নাটোর কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার আবুল কালাম আজাদ জানান, ইটের ভাটার মালিকরা ভ্যাট দিতে চান না। অনেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়াও সম্ভব হয় না। কাস্টমস বিভাগের লোকবল কম। যানবাহন ও আগ্নেয়াস্ত্র নেই। ফলে প্রভাবশালীরা তাদের ভয় করে না, গুরুত্ব দেয় না। জেলা ইটভাটা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিল্টন জানান, গত তিনবছর থেকে ভাটায় ক্রমাগত লোকসান হচ্ছে। ফলে অনেক মালিক তাদের ভাটা বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন, অনেকে ভ্যাট পরিশোধ করেন না।