জলঢাকায় কাবিখা বরাদ্দের ২৪০ মে. টন গম কাজ না করেই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের কর্মসূচিতে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন সংস্কার প্রকল্পের নামে ২৪০ মে. টন গম ২৬টি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৯ টন করে প্রকল্প প্রতি বরাদ্দ দেয়া হয়।
উপজেলার কৈমারী আহলে হাদিস জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন আব্দুল কাদের জানান, ৯ মে. টন গম মসজিদে বরাদ্দ দিলেও মাত্র ২৬ ট্রলি বালু ফেলা হয়েছে। প্রকল্পের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, এমপি সাহেবের আস্থাভাজন ডিও ব্যবসায়ী হেদায়েতুল ইসলাম (হেদ্দা) ২ টন গম তোলার জন্য আমার কাছে একটি কাগজে সই নেয় এবং আমাকে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়। পরে শুনি আমার প্রকল্পের বরাদ্দের সব গম তোলা শেষ।’
ডাকালীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রকল্প সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান রুবেল বলেন,‘ ৯ মে. টন গমের প্রকল্পটি দেয়া হয়েছে তার সভাপতি আমি নামে মাত্র। এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইয়াকুব আলী আমাকে যা দিয়েছে তাই দিয়ে সামান্য কাজ করেছি। পিআইওকে টন প্রতি ২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।’
জলঢাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজিবর রহমান বলেন,‘ এমপির বরাদ্দকৃত কাবিখা প্রকল্পের বিপরীতে ২৪০ মে. টন গম যেসব প্রকল্পে দেয়া হয়েছে সেসব প্রকল্পের সভাপতি সবাই সরকার দলীয় নেতাকর্মী। প্রকল্পগুলো তদারকি করতে গেলে তারা আমার উপর তেড়ে আসে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও ইউএনও হাসান হাবিব বলেন, ‘প্রকল্পগুলোর কাজ শতভাগ নিশ্চিত করে আমি বিল প্রদান করব।
