সরদার :আমি সারারাত ট্রেনে ঘুমাইনি।
বন্ধু :কেন?
সরদার :কারণ ‘আপার বার্থ’ পেয়েছিলাম।
বন্ধু :এক্সচেঞ্জ করলি না কেন?
সরদার :এক্সচেঞ্জ করার মতো কাউকে পাইনি।
দুই বান্ধবী গল্প করছে।
প্রথমজন :আর পারি না। বুঝেছিস! আমার স্বামী সব সময় তার আগের বউয়ের কথা বলতে থাকে।
দ্বিতীয়জন :তাও ভালো! আমার স্বামী তো ভবিষ্যতে তার বউ যে হবে, তাকে নিয়ে কথা বলে।
নিজ বাড়িতে ফোন করেছেন বাড়ির কর্তা। ওই পাশ থেকে ফোন তুলেছে চাকর।
চাকর :হ্যালো, কে বলছেন?
কর্তা :গর্দভ! নিজের কর্তাকেও চেন না?
চাকর :কর্তাবাবু, আপনি? আপনি কোথা থেকে বলছেন?
কর্তা :কেন, অফিস থেকে।
চাকর :আপনি অফিসে? তাহলে আপনার পড়ার ঘরে দরজা লাগিয়ে বসে আছেন কে?
কর্তা :কী বললি? নির্ঘাত চোর! শোন, বসার ঘরে আমার বন্দুকটা আছে না? বন্দুক হাতে নিয়ে সোজা দরজা ভেঙে পড়ার ঘরে ঢুকে পড়। আমি লাইনে আছি।
(কিছুক্ষণ পর)
চাকর :আমি দরজা ভেঙেছি, গুলিও করেছি। কিন্তু চোরটা জানালা দিয়ে লাফিয়ে বাগানে লাফ দিয়ে পালিয়েছে।
কর্তা :কিন্তু আমার পড়ার ঘরের পাশে তো কোনো বাগান নেই!
চাকর :তাহলে আমার ভয় হচ্ছে, আপনি বোধ হয় রং নম্বরে ফোন করেছেন!
