শেরপুরের নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২৬ জুন। শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রধান দু’দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দলীয়ভাবে সমর্থন দেয়া সত্ত্বেও দু’দলের অন্য প্রার্থীরা কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেনি।
সকল প্রার্থী নিজ সমর্থক, লোকজন নিয়ে ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দেব সূচাগ্র মেদিনী’— এ প্রত্যয় নিয়ে জোরেসোরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থীদের ঝুলন্ত পোস্টারে, ব্যানারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট ৭ জন এবং ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যথাক্রমে ৩ জন ও ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন। এরা হচ্ছে- বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন আনারস, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম রব্বানী দোয়াত-কলম, যুবলীগ নেতা মো. মুনির হোসেন ঘোড়া ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য শওকত হোসেন খান মুকুল কাপ-পিরিচ। এদের মধ্যে শাহ মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিনকে দলীয় সমর্থন দেয়া হয়েছে। অপরদিকে এ পদে বিএনপি দলীয় প্রার্থীর সংখ্যা ৩। এরা হচ্ছে: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব আলী চৌধুরী ওরফে মুনির চৌধুরী হেলিকপ্টার, বিএনপি নেতা জাহিদ হোসেন বাদশা চিংড়িমাছ ও জহুরুল ইসলাম মঞ্জু মোটরসাইকেল। এদের মধ্যে মাহবুব আলী চৌধুরীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কে বিজয়ী হবেন এটা নিয়ে একাধিক প্রার্থীর কারণে উভয় দল চিন্তিত। দলীয় সমর্থক ভোটারাও বিভ্রান্ত। এ ব্যাপারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বেশি চিন্তিত। কারণ জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত ৩টি উপজেলা নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীর কারণে তাদের দল ২টিতে হেরেছে। তবে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় বিএনপিও স্বস্তিতে নেই। এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩২ হাজার ৬০৪ জন। কেন্দ্র সংখ্যা ৬৩ টি।
