মিরসরাইয়ের অর্ধশত স্পটে কোটি টাকার মাদক বিক্রি

আপডেট : ২১ জুন ২০১৪, ২০:৫০
মিরসরাইয়ে অর্ধশত স্পটে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মাদকদ্রব্য। মাঝে মধ্যে এই ব্যবসার সাথে জড়িত দুই একজন চুনোপুঁটি ধরা পড়লেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে মূলহোতারা। সম্প্রতি কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু মাদক দ্রব্য ও কয়েকজন ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে র্যাব ও পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের কিছু শীর্ষ নামধারী ব্যক্তি এই মাদক ব্যবসা পর্দার আড়াল থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। জানা গেছে, উপজেলার করেরহাট সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শাহাদাত। সমপ্রতি করেরহাট বাজার থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলিসহ সন্ত্রাসী শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় পালিয়ে যায় তার তিন সহযোগী ছাগলনাইয়া উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেন রনি, আনোয়ার হোসেন ও করেরহাটের বদ্ধভবানী এলাকার মানিক। শাহাদাত গ্রেপ্তার হলেও তার সিন্ডিকেটের অন্য তিন সদস্য গ্রেপ্তার না হওয়ায় এখনো মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, উপজেলার অর্ধশত স্পটে প্রতিমাসে কমপক্ষে কোটি টাকার মাদকদ্রব্য বেচাকেনা হচ্ছে। অন্তত সাতটি রুট দিয়ে মাদকদ্রব্য আসার খবর পাওয়া গেছে। করেরহাটের তিনটি সীমান্ত এলাকা, করেরহাট-ফটিকছড়ি সড়ক, মিরসরাই-ফটিকছড়ি সড়ক, ফটিকছড়ি-হাদিঢালা সড়ক, ফটিকছড়ি বারৈয়াঢালা সড়ক দিয়ে মাদকদ্রব্য প্রবেশ করছে মিরসরাইয়ে। এতে উপজেলার অসংখ্য বেকার যুবক মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তারা নিয়মিত মাদক সেবনের অর্থ যোগাতে নানারকম চুরি, ছিনতাই কাজে জড়িয়ে পড়ছে। ইতোমধ্যে মাদকসেবীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল লাইনের বড়তাকিয়া সিগনাল লাইনের আড়াই কোটি টাকার যন্ত্রপাতি চুরি করে নিয়েছে। ফলে সিগনাল লাইনটি বন্ধ রয়েছে। মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ এমকে ভূঁইয়া বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সব সময়ই আমরা ব্যবস্থা নেই এবং সব সময়ই মাদক নির্মূলে আমাদের চেষ্টা আন্তরিক।