ফুটবল তারকাদের স্টাইল

আপডেট : ২৩ জুন ২০১৪, ১৯:৫৭
চলছে বিশ্বকাপ। ফুটবলপ্রেমীরা রাত জেগে উপভোগ করছেন প্রিয় দলের খেলা। আর খেলায় নানা ধরনের শৈল্পিকতার পাশাপাশি তাদের ফ্যাশনের কারণেও ভক্তদের কাছে জনপ্রিয়। কয়েকজন তারকাদের ফ্যাশনের কথা জানাচ্ছেন প্রাঞ্জল সেলিম মেসি একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার যিনি লা লিগা ক্লাব বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে একজন ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেন। তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক। মাত্র ২১ বছর বয়সেই মেসি বালোঁ দ’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় পুরষ্কার দুটির জন্য মনোনীত হন। পরের বছর তিনি প্রথমবারের মত বালোঁ দ’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেন। ২০১০ সাল থেকে ব্যালন ডি’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় পুরস্কার দুটিকে এক করে নাম দেওয়া হয় ফিফা ব্যালন ডি’অর। উদ্বোধনী বছরেই এই পুরস্কার জিতেন তিনি। অন্যদের মতো ফ্যাশন নিয়ে এতটা আগ্রহী কিংবা জনপ্রিয় নন তিনি। কিন্তু এরপরও চুলের জন্য এবং তার শিশুসুলভ চেহারার জন্য বেশ জনপ্রিয়তা পান তিনি। চুলের ক্ষেত্রে অনেক তরুণদের মধ্যেই দেখা যায় ‘মেসি কাট’ অনেক জনপ্রিয় একটি বিষয়। নেইমার একজন ব্রাজিলীয় ফুটবলার, যিনি স্পেনীয় ক্লাব বার্সেলোনা এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে একজন ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। তিনি আধুনিক বিশ্বের উদীয়মান ফুটবলারদের অন্যতম। ২০১০ সালে ৩য় হওয়ার পর নেইমার ১৯ বছর বয়সে ২০১১ এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে নেইমার ফিফা ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনয়ন পান, তবে ১০ম স্থানে আসেন। বিলাসবহুল জীবনযাপন আর ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বিপুল জনপ্রিয়তার জন্য ব্রাজিলের সুপারস্টারের সঙ্গে এখন অনেকেই বেকহ্যামের তুলনা করছেন। কিন্তু নেইমারের ভাবনাটা অন্য রকম। প্রাক্তন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান, পিএসজি এবং এলএ গ্যালাক্সির ফুটবলারের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে চান না সাওপাওলোর তারকা। নেইমার বলেন, ‘স্টাইলের ব্যাপারে আমিও কম যাই না। নতুন পোশাক, পারফিউম আর হেয়ার প্রোডাক্টস কিনতে আমিও খুব ভালোবাসি। বেকস আরও স্টাইলিশ। আমি হয়তো প্রতিভা দিয়ে ইমপ্রেস করার চেষ্টাই বেশি করি। সেটা আমার কাছে কোনো সমস্যা নয়।’ তার চুলের স্টাইলের জন্যও বেশ জনপ্রিয় তিনি।