স্বাধীনতার ৪৩ বছর পেরিয়ে গেলেও উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শোভাগঞ্জ হাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জানা গেছে, উপজেলার দ্বিতীয় বৃহত্তর শোভাগঞ্জ হাট। প্রতিবছর এ হাট থেকে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। সপ্তাহে ২ দিন শনিবার ও মঙ্গলবার হাট বসে। হাটে দূর-দূরান্ত থেকে ধান, পাট, গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ের নিমিত্তে ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটে। এই হাটের কোল ঘেঁষে বয়ে গেছে আঞ্চলিক মহাসড়ক। হাট ঘিরে গড়ে উঠেছে ২টি কলেজ, ২টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান। প্রায় ৬৬ শতক জমিতে গড়ে ওঠা হাটটিতে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে কাদা জমায় হাটুরেদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এদিকে জাতীয় নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা হাটটির উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হলেও দীর্ঘ ৪৩ বছরেও এ হাটে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি।
এছাড়া কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী হাটের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় হাটটির আয়তন কমে যাচ্ছে।
