নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর এলাকার সাউদপাড়া গ্রামের মনিরুল ইসলাম বিরল প্রজাতির পাখি পুষে অর্থ আয় করছে। তিনি বিভিন্ন প্রজাতির বিরল বন্য পাখিকে পোষ মানিয়ে প্রজনন ঘটানোর মাধ্যমে বাচ্চা ফুটানোর কাজ করছেন। ইতিমধ্যে সফলও হয়েছেন। তিনি কাইম পাখির প্রজনন ঘটিয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন। শুধু কাইম পাখিই নয়, বালিহাঁস, ডাহুক ও কুররাসহ আরও অনেক বিলুপ্ত প্রায় বিরল প্রজাতির বন্য পাখিকে পোষ মানিয়ে প্রজনন ঘটানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। মনিরুল তার নিজ বাসায় গড়ে তুলেছেন ‘মিনি চিড়িয়াখানা’। যা দেখতে আশেপাশের গ্রামসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন ছুটে আসছেন পাখি প্রেমীরা।
মিনি চিড়িয়াখানায় কয়েকটি বিরল প্রজাতির পাখি রয়েছে। তার মধ্যে কাইমপাখি, বালিহাঁস, ডাহুক, ঘুঘু, কুররা, কবুতর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৪ জোড়া কাইমপাখি রয়েছে। প্রতি জোড়া কাইম পাখির বাচ্চা ১৫শ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয় বলেও তিনি জানান। বিরল প্রজাতির পাখি পাওয়া খুব কষ্টসাধ্যের। তারপরও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব পাখি এনে পোষ মানিয়ে গৃহপালিত পাখির মত বাড়িতে উন্মুক্তভাবে প্রজনন ঘটিয়ে তাদের বংশ ধরে রাখার চেষ্টা করছি’।
