পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরে ২ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি দশা থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন ফল হয়নি বলে দাবি করেছেন। গ্রামবাসী জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর বাজার ও আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো স্থানীয় স্বার্থান্বেষী মহল বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে বাজারের সমস্ত পানি গ্রামের মধ্যে প্রবেশ করে মারাত্মক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত ক’দিনের ভারি বর্ষণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে ২ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি গ্রামবাসীর দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। এলাকাবাসী জানায়, পানিবন্দি দশার হাত থেকে রক্ষা পেতে উপজেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করেও কোন কাজ হয়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গঙ্গাচড়ায় ৩০ পরিবার পানিবন্দী
২৫ পরিবারের বাড়ি বিলীন
গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানিবন্দী হয়েছে ৩০ পরিবার। ভাঙ্গনে নদীতে বিলীন হয়েছে ২৫ পরিবারের বাড়িঘর। জানা যায়, গতকাল সকাল থেকে তিস্তার পানি হঠাত্ বাড়তে থাকে। গতকাল বিকালে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৮ সে.মি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধির কারণে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের টাউরাসের বাজার এলাকার ৩০ পরিবার পানিবন্দী হয়েছে বলে ইউপি সদস্য সুলতান মিয়া জানান। কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল এলাকায় পানি বৃদ্ধির কারণে চিলাখাল এলাকায় ২৫ পরিবারের বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়েছে। আবারো চিলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাঙ্গন হুমকির মধ্যে পড়েছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম জানান।
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ময়নুদ্দিন উজানী ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, গতকাল ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৮ সে. মি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
