রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি কুমিল্লার এমরানের মায়ের

আপডেট : ২৪ জুন ২০১৪, ২১:২০
রমনা বটমূলে হামলায় নিহত রমনা বটমূলে বোমা হামলায় নিহত কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি গ্রামের এমরান হোসেনের বৃদ্ধা মা সুফিয়া খাতুন গত সোমবার দেয়া আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে দেয়া রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, তার বাবা আবুল হোসেন স্ত্রী ২ ছেলে ও ৫ মেয়ে নিয়ে তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি গ্রামের বাড়ি থেকে জীবিকার সন্ধানে ঢাকার হাজারীবাগে চলে যান। সেখানে বাসা ভাড়া করে এবং দর্জির কাজ করে সামান্য আয়ে কোন রকমে সংসার চালাতেন। একজনের আয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ায় পুত্র এমরান হোসেন নিউমার্কেটে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ শুরু করেন। ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে শিল্পীদের গান শোনার জন্য অন্য দর্শক-শ্রোতার মতো এমরান হোসেনও ঐ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ঐদিন বোমা হামলায় নিহত ১০ জনের মধ্যে এমরান হোসেন একজন। নিহত এমরান হোসেনের ছোট ভাই রমজান হোসেন জানান, ভাইয়ের শোকে বাবা ২০০৯ সালে মারা যান। আমি দর্জির কাজ করে ৪ বোনকে বিয়ের ব্যবস্থা করি। আমরা সরকারিভাবে এখনো কোন অনুদান পাইনি। মঙ্গলবার কান্নাজড়িত কণ্ঠে এমরান হোসেনের বৃদ্ধা মা সুফিয়া খাতুন জানান, আমরা গরীব মানুষ, এ মামলা পরিচালনা করার ক্ষমতা আমাদের ছিল না। আমার শেষ ইচ্ছে আমার ছেলেসহ অন্যদের যারা বোমা মেরে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসির রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।