মেঘনায় ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই :জেলে পরিবারগুলোতে দুর্দিন

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৪, ২০:২৯
মত্স্য সম্পদের অভয়ারণ্য হিসেবে খ্যাত মনপুরার মেঘনায় ভরা মৌসুমেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না রূপালি ইলিশ। মৌসুমের শুরুতে জেলেদের জালে ইলিশ পড়ার কথা থাকলেও মৌসুমের মাঝামাঝি সময় এসেও ইলিশের দেখা মিলছে না। মাছ না পড়ায় জেলেদের সংসারে অভাব-অনটনের বোঝা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে জেলে পরিবারগুলোতে চলছে দুর্দিন। মনপুরায় প্রায় ১২ সহস্রাধিক জেলের বসবাস হলেও মত্স্য অফিস সূত্র অনুযায়ী ৭ হাজার ৪৭৪ জন জেলে নিবন্ধিত। জেলেদের বয়স কম হওয়ায় ও জেলে কার্ড করার সময় দেশে না থাকায় প্রকৃত জেলেদের কার্ড করা সম্ভব হয়নি। লক্ষাধিক লোকের এই আবাসভূমিতে শতকরা প্রায় ৭০ জন লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মত্স্য সম্পদের উপর নির্ভরশীল। মেঘনায় মাছ ধরা পড়লে জেলেরা ভাল থাকেন। এবারের মৌসুমের শুরুতে ইলিশের দেখা মেলেনি। লাখ লাখ টাকা দাদন ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে জেলেরা ইলিশ মাছের আশায় থাকেন। কিন্তু মেঘনায় মাছ না পড়ায় জেলেরা তাদের সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছে। ফলে জেলে পরিবারগুলো কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। এখন প্রতিদিন ২/১টা বড় ইলিশের দেখা মিলছে। যা বিক্রি করে তেলের খরচ হয় না। মাছ বিক্রি করে ৭/৮ জনের সংসার চালানো কষ্টকর হচ্ছে জেলে পরিবারগুলোর। জেলেরা আশা করছেন সামনে রমজান মাস। রমজান মাসে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে। আর সেদিনের জন্য অপেক্ষা জেলেদের। আড়তদার নিজামউদ্দিন হাওলাদার, কামাল, মিজান, আলমগীর, শাহেআলম বেপারী বলেন, নদীতে মাছ না পড়ায় আমরাও খুব কষ্টে আছি। জেলেদের সাপ্তাহিক বিল চালাতে হিমসিম খাচ্ছি। মাছ না পড়ায় জেলে ও আড়তদার কারো মুখেই হাসি নেই।