৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ
দীর্ঘ ১০ বছর পর বগুড়ার কাহালু উপজেলার বহুল আলোচিত যোগারপাড়া গ্রামে গুলি ও শক্তিশালী বিস্ফোরক উদ্ধারের মামলাটি আলোর মুখ দেখতে পেয়েছে। আদালতে এ পর্যন্ত ২ বাদীসহ ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তবে মূল ঘটনাটি এখনও রহস্যাবৃত রয়ে গেছে। ২০০৩ সালের ২৭ জুন সিলেট থেকে গোলাবারুদ ভর্তি একটি ট্রাক প্রথমে উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের নাগর নদী তীরবর্তী যোগারপাড়া গ্রামের সন্নিকটে ইয়াছিন আলীর ইট ভাটার পাশে এনে রাখা হয়। এরপর সেখানে সন্ধ্যায় ট্রাক থেকে গোলাবারুদ খালাস করার সময় দুপচাঁচিয়া ও কাহালু থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ট্রাকসহ ৫০ হাজার চায়না রাইফেলের গুলি ও ৮৫ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে। তবে ট্রাকে আনা অবশিষ্ট গুলি ও বিস্ফোরক ওই গ্রামের সৈয়দ আফলাকুর রহমান পিন্টুর বাড়িসহ আশে-পাশের স্থানে রাখা হয়। কিন্তু ওই রাতে পুলিশি অভিযানের কারণে গুলি ও বিস্ফোরকগুলো পাশে নাগর নদী ও পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। এরপর পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ৯৯ হাজার ৯৮৯টি চায়না রাইফেলের গুলিসহ ১৭৪ কেজি শক্তিশালী বিস্ফোরক উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পিন্টুকে প্রধান আসামি করে কাহালু ও দুপচাঁচিয়া থানায় ৪টি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে এ মামলাটি সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডি দ্রুত মামলাগুলো তদন্ত শেষে পিন্টু ও তার স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন বীথিসহ ৬ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে এ মামলায় বীথিসহ আরো ২ আসামি জামিনে রয়েছেন। এদিকে মামলাটি নিষ্পত্তি না হবার কারণে গোলাবারুদ বহনকারী মালিকবিহীন ট্রাকটি দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাহালু থানায় পড়ে আছে। যার কারণে ট্রাকটির মূল্যবান সব যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে।
