অর্ধশতাধিক নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বন গবেষণা ইনস্টিটিউট

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৪, ২২:৪৫
ভূমির উপযোগিতাভিত্তিক বৃক্ষ রোপণ থেকে শুরু করে আসবাবপত্র নির্মাণ পর্যায় পর্যন্ত সামগ্রিক বৃক্ষ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ৫০টিরও বেশি আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট। উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে কঞ্চিকলম পদ্ধতিতে বাঁশ চাষ, রাসায়নিক সংরক্ষণী ব্যবহার করে কাঠের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি, সৌর চুল্লির মাধ্যমে কাঠ শুষ্কিকরণ, মাতৃবৃক্ষ নির্বাচন, বাঁশ ঝাড় ব্যবস্থাপনা, নার্সারি উন্নয়ন ও মিশ্র বাগান সৃজন, রাবার কাঠকে রাসায়নিক সংরক্ষণী প্রয়োগের মাধ্যমে উন্নত মানের কাঠে রূপান্তর করা ইত্যাদি। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় এসব প্রযুক্তি তুলে ধরেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. শহীদ উল্যা ও ড. ডেইজি বিশ্বাস। এসময় তারা বলেন, বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিম্নমানের কাঠকে উন্নত মানে পরিণত করা সম্ভব। এতে কাঠ বাঁকা হবে না, ঘুণে ধরবে না এবং স্থায়িত্ব বাড়বে। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে বৃক্ষ ব্যবস্থাপনার বেশ কিছু লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হলেও সীমিত প্রচারণার কারণে জনগণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন ও পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার। তারা দেশের বিভিন্ন জেলায় মেলা আয়োজনের মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান। ড. শাহীন আক্তারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় কাঠ ব্যবসায়ী, নার্সারি মালিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ ভোক্তা গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।