ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ভারতে ফেনসিডিল তৈরি হয়। কিন্তু ভারতীয়রা তা মাদক হিসাবে ব্যবহার করে না। একইভাবে মিয়ানমার ইয়াবা তৈরি করলেও দেশটির যুব সমাজ তা মাদক হিসাবে গ্রহণ করে না। অথচ বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ফেনসিডিল ও ইয়াবা মাদক দ্রব্য হিসেবে গ্রহণ করে জীবন শেষ করে দিচ্ছে। বাংলাদেশকে মাদকের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত ও মিয়ানমার।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (এনএসইউ) ‘মাদকদ্রব্য পরিহার করুন, নিজে বাঁচুন এবং আগামী প্রজন্মকে বাঁচান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পুলিশ কমিশনার বলেন, রাজধানীতে প্রতিমাসে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলায় ৮০০ থেকে এক হাজার জনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বলেন, ‘মাদক প্রতিরোধে পুলিশ সব সময় কঠোর অবস্থানে থাকে। প্রতিমাসে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ৭০০ থেকে ৮০০ মামলাও দায়ের করা হয় বলে জানান তিনি।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব জাস্টিসের সদস্য রাগীব আলী ও এম এ কাসেম এবং উপাচার্য ড. আমীন সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাদক বিরোধী র্যালিতে অংশ নেন পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ কমিশনার বলেন, গত জানুয়ারি থেকে নিয়মিত মামলার পাশাপাশি ডিএমপি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে রাজধানীতে। এই সময়ের মধ্যে ৮৭৬ মামলায় ৮৯৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘তরুণ-তরুণী থেকে বিভিন্ন বয়স এবং পেশার মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদক দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যুব সমাজ যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে দেশও ধ্বংস হয়ে যাবে।’ পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘যেখানে ড্রাগ সেখানেই অপরাধ সংঘটিত হয়। তাই ড্রাগের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
