রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফুফুর সঙ্গে অভিমান করে লাবনী (১৪) নামে এক কিশোরী ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। অন্যদিকে খিলক্ষেত থেকে অজ্ঞাতনামা (২৫) এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অভিমানী লাবনীর গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলায়। বৃহস্পতিবার বেলা পৌঁনে ১১টার দিকে পুলিশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। মোহাম্মদপুর থানার এসআই জালাল উদ্দিন জানান, প্রায় এক বছর আগে লাবনী ঢাকা উদ্যান ৬ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাসায় তার ফুফু জেসমিন আক্তারের (২৫) বাসায় আসে। জেসমিন মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার একটি সন্তান রয়েছে। সন্তানকে দেখা শোনার জন্য ভাইয়ের মেয়ে লাবনীকে তিনি ঢাকা নিয়ে আসেন। বাচ্চার দেখভাল নিয়ে প্রায়ই লাবনীকে বকাঝকা করতেন জেসমিন। এ নিয়ে মনমালিন্য হতো বলে অভিযোগ করেছে প্রতিবেশীরা।
প্রতিবেশীদের দেয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এসআই জালাল আরো জানান, বৃহস্পতিবার জেসমিন কাজে যাওয়ার আগে লাবনীকে বাইরে ঘোরাফেরা না করে বাচ্চার দিকে খেয়াল রাখতে বলেন। এরপর জেসমিন বাসা থেকে চলে গেলে লাবনী ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। ঘরের মধ্যে লাবনীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ পৌনে ১২টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
খিলক্ষেতে সকাল সাড়ে আটটার দিকে যুবকটির লাশটি উদ্ধার করা হয়। তার পরনে নীল জিন্সপ্যান্ট ছিল। খিলক্ষেত থানার এসআই ইসরাইল হোসেন বলেন, খিলক্ষেত-কুড়িল-ঢাকা আউট গোয়িং বামজোড়া ফ্লাইওভারের নীচ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। কোন গাড়ির ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’ লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
