রাঙামাটির কাপ্তাই, রাজস্থলী, কাউখালী এবং রাঙামাটি সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৯৬৮ সাল থেকে রেশম চাষ হয়ে আসছে।
গত ৮ বছর ধরে এর পরিধি বেড়েছে। বর্তমানে কাউখালীতে চার শতাধিক, কাপ্তাই ও রাজস্থলীতে প্রায় ৫ শতাধিক নারী রেশম চাষে জড়িত। আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র থেকে রেশম চাষীরা সার্বিক সহযোগিতা পেয়ে আসছেন। কোন খরচ না করেও একজন রেশম চাষী বছরে কমপক্ষে ৮ আট হাজার টাকা মুনাফা পাচ্ছেন।
রেশম চাষী শিরিনা বেগম, রোকসানা বেগম, বৈশাখী চাকমা, হাসিনা বেগম, লায়লা বেগম, গোলাপী বেগম, কুলসুমা বেগম, সুখী চাকমাসহ অনেক নারী জানান, তারা রেশম চাষ করে লাভবান হয়েছেন।
হাসিনা বেগম জানান, রেশম চাষের লাভের টাকা দিয়ে এক ছেলে ও এক মেয়ের লেখাপড়ার খরচ যোগানো হচ্ছে।
রাঙ্গামাটির আঞ্চলিক রেশম সমপ্রসারণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. রাশিদুল হক বলেন, কাউখালী, কাপ্তাই এবং রাজস্থলীতে চাকী পলু পালন কেন্দ্র গড়ে তোলা বিশেষ প্রয়োজন। এটা করা হলে এলাকায় রেশম চাষ আরো সমপ্রসারিত হবে। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।
