বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে সীমান্তের ওপার থেকে বৈধ পথে অবৈধভাবে ভারতীয় পণ্য আসছে। সম্প্রতি এ চোরাচালান আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র এই চোরাচালানের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই স্থল বন্দর দিয়ে চোরাপথে আসা শাড়ি, থ্রী-পিস ও বিভিন্ন শাটিং-সুটিং’র বড় ধরনের একটি চালান শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের কর্মকর্তারা গত বৃহস্পতিবার মাওয়া ফেরি ঘাটে আটক করেছে। আটককৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ২ শ’ ৩৫ পিস শাড়ি, ১ হাজার ৫ শ’ ২১ টি থ্রী-পিস এবং ৪ হাজার ১ শ’ ৫৫ কেজি শাটিং-সুটিং’র কাপড়। যার মূল্য ৩ কোটি টাকারও বেশি বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে ভারতীয় ট্রাকে করে উল্লিখিত পণ্য সীমান্তের ওপার থেকে বেনাপোল বন্দরে আনা হয়। পরে তা বাংলাদেশের একটি ট্রাকে বোঝাই করে ঢাকায় আনা হচ্ছিল। মাওয়া ফেরি পার হওয়ার পর শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের গোয়েন্দারা ট্রাকটি আটক করে। এসময় ট্রাকের চালক সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের এই পণ্যের আমদানির বিল অব এন্ট্রি (নম্বর- ৩৪৭৩) এবং শুল্ক পরিশোধের একটি ডকুমেন্ট দেখায়। এতে দেখা যায় পণ্যের আমদানিকারক হিসেবে নাম রয়েছে ঢাকার নয়া পল্টনের ‘রাফা এন্টারপ্রাইজ’। এরপর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এসব কাগজপত্র স্ক্যান করে যাচাইয়ের জন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউজে পাঠান এবং পণ্যসহ ট্রাকটি পাগলা কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে আটক রাখেন। এদিকে গতকাল শনিবার বোনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে জানানো হয়, ট্রাক চালকের জমা দেয়া সমুদয় ডকুমেন্ট ভুয়া। পরে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা পণ্যসহ ট্রাকটি জব্দ করেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানা শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
