কালশীতে সহিংসতা

বিহারী নিরাপত্তায় বসছে পুলিশ ক্যাম্প

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৪, ২২:৫৬
রাজধানীর পল্লবীর কালশীর কুর্মিটোলা বিহারি ক্যাম্প এলাকায় পুলিশের একটি ক্যাম্প চালু করা হচ্ছে। বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে সেখানে ক্যাম্প স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ঈদুল ফিতরের পর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে। এদিকে, নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ক্যাম্প যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন বিহারি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ১৩ জুন রাত ও পরদিন ভোরে আতশবাজি-পটকা ফাটানোকে কেন্দ্র করে বিহারিদের সঙ্গে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একটি ঘরে তালা ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে একই পরিবারের ৯ জন নিহত হন। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হন। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, কালশীতে সংঘর্ষ-সহিংসতার পর ঐ এলাকার নিরাপত্তায় একটি পুলিশ ক্যাম্প বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরই মধ্যে কালশী সড়কের পাশে খাস জমিতে গড়ে ওঠা একটি পরিত্যক্ত ভবন পাওয়া গেছে। সেটি সংস্কার করে ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। এ ছাড়া ক্যাম্প স্থাপনের আগে সেটির নিরাপত্তার বিষয়েও ভাবতে হচ্ছে। প্রশাসনিক অনুমোদনেরও ব্যাপার থাকে। রমজান মাসের মধ্যেই এসব কাজ শেষ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ঈদের পরপরই চালু হবে কালশী পুলিশ ক্যাম্প। এ ব্যাপারে ওয়েলফেয়ার মিশন অব বিহারিজ (বাংলাদেশ)-এর সভাপতি মুশতাক আহমেদ বলেন, বিপুল সংখ্যক বিহারি বাসিন্দার নিরাপত্তায় পুলিশ ক্যাম্প দিয়ে কিছু হবে না। সত্যিই নিরাপত্তা দিতে চাইলে এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা দরকার। পল্লবী থানার বিপরীত পাশের ফাঁড়িটি এখানে (কালশী) স্থানান্তর করা যেতে পারে। তিনি বলেন, যেখানে ক্যাম্পটি করা হচ্ছে, সেটি সরকার দলীয় লোকজনের একটি ক্লাব। ক্লাব বন্ধ করে পুলিশ ক্যাম্প করলে তারা ক্ষুব্ধ হতে পারেন। আর সেই দোষ বিহারিদের ওপর এসে পড়বে। এতে আবারও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।