‘কাজীর গরু কেতাবে আছে গোয়ালে নেই’ প্রবাদ বাক্যটির সত্যতা মিলেছে বানারীপাড়ার বিশারকান্দিতে। স্কুল ঘর ও শিক্ষার্থী না থাকার পরেও উপজেলার মধ্য-পশ্চিম বিশারকান্দি রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিস্ময়করভাবে জাতীয়করণ হওয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তবে ওই বিদ্যালয়ে স্কুল ঘর ও শিক্ষার্থী না থাকা এবং পাঠদান না হলেও প্রধান শিক্ষক ও তিনজন সহকারী শিক্ষকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার বিশারকান্দির মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহাব উদ্দিন মাস্টার মধ্য-পশ্চিম বিশারকান্দি রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ঘর ও শিক্ষার্থী না থাকা ও পাঠদান না হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া স্কুল ঘর ও শিক্ষার্থী দেখিয়ে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাত্ এবং জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ এজেড মোরশেদ আলী জানান, অভিযোগ পেয়ে তদন্তের জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি।
