ছিনতাইকারী ধরতে পুলিশের সাইকেল টিম

আপডেট : ২৯ জুন ২০১৪, ২২:৪৪
রাজধানীতে রমজানে ছিনতাই প্রতিরোধে গতকাল রবিবার থেকে শুরু হয়েছে পুলিশের ‘সাইকেল টিম’। প্রতিটি থানায় ৯টি মোটর সাইকেলে এ টিম তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করবে। এরপরও কোন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলে তার সব দায় দায়িত্ব ঐ টিমকে বহন করতে হবে। কারো বিরুদ্ধে দায়িত্বে কোন ধরনের অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপর দিকে পুরনো ঢাকায় যানজট নিরসনে চালু করা হয়েছে বাই সাইকেল টিম। গতকাল রবিবার মাসিক অপরাধ বৈঠক ও রজমানে রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ। ডিএমপি সদর দফতরে সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সকল বিভাগের ডিসি, এডিসি, এসি ও ওসিরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দুই অতিরিক্ত কমিশনার, তিন যুগ্ম কমিশনারসহ ডিএমপি সদর দফতরের অন্যান্য কর্মকর্তা। সকাল ১০টা থেকে বৈঠক চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে রাজধানীতে গত এক মাসে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দিয়ে বক্তব্য রাখেন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ। নির্দেশনামূলক দীর্ঘ বক্তব্যে কমিশনার বলেন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে কিছু সমস্যা তো থাকেই। কিন্তু সব কিছুকে ওভারকাম করে রমজানে নগরবাসীর নিরাপত্তায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অজ্ঞান পার্টি, ছিনতাইকারী প্রতিরোধে সবাইকে সচেষ্ট হয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালাতে হবে। সূত্র জানায়, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় রাজধানীর প্রতিটি থানায় ৯টি মোটর সাইকেলে (তিন শিফটে) দায়িত্ব পালন করা হবে। এ টিমের প্রধান কাজ ছিনতাইকারী প্রতিরোধ। প্রতিটি মোটর সাইকেলে থাকবে পুলিশের তিন জন সদস্য। অপরদিকে পুরনো ঢাকায় বিশেষ করে ইফতারি দোকানের জন্য প্রচুর যানজটের সৃষ্টি হয়। কিন্তু সেখানে পুলিশ ভ্যান, মোটর সাইকেলে দ্রুত পৌঁছান সম্ভব হয় না। এ কারণে পুরনো ঢাকার থানাগুলোতে সরবরাহ করা হয়েছে ১০টি করে বাইসাইকেল। এ বাইসাইকেলে করে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানজট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।