বিএমবিএ’র দাবির প্রেক্ষিতে এনবিআর

মওকুফকৃত সুদ প্রতিষ্ঠানের ব্যয় হিসেবে দেখানো যাবে

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৪, ২০:৫৭
পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মুওকুফকৃত ঋণের সুদ মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকারদের অনুমোদনযোগ্য ব্যয় হিসেবে গণ্য করা হবে। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি এনবিআরের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ও ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সরকারের ঘোষিত বিশেষ স্কিমের আওতায় ২৮টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ২০০টি স্টক ব্রোকারদের মওকুফকৃত সুদ বিদ্যমান আয়কর আইনে অনুমোদনযোগ্য খরচ হিসাবে বিবেচনা করার বিধান রয়েছে। ইতিপূর্বে লগ্নীকৃত অর্থের উপর আরোপিত সুদ সংশ্লিষ্ট বছরের আয় হিসাবে দেখিয়ে কর দিলে এবং পরে এ সুদ অবলোপন করলে এ অবলোপন সংশ্লিষ্ট কর বর্ষে ওই মার্চেন্ট ব্যাংক অথবা স্টক ব্রোকারদের আয়ের বিপরীতে অনুমোদনযোগ্য ব্যয় হিসাবে গণ্য হবে। এনবিআরের চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, অবলোপনকৃত অর্থ পরবর্তীতে সম্পূর্ণ বা আংশিক পুনরুদ্ধার হলে পুনরুদ্ধারকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর বছরের মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক ব্রোকারদের ব্যবসায় আয় হিসেবে বিবেচিত হবে। জানা গেছে, গত ১৭ জুন সুদ মওকুফের ওপর কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল বিএমবিএ। বিএমবিএ’র দাবির প্রেক্ষিতে এনবিআর এ চিঠি পাঠিয়েছে। এদিকে গতকাল সোমবার রমজানের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারের সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেছে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৪৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৮৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ৯১ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৯টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৮টির, কমেছে ১৬১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে ডিএসই জানিয়েছে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ফাইন ফুডস লিমিটেড ও ইনটেক অনলাইনের শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। গতকাল সোমবার কোম্পানির পক্ষ থেকে ডিএসইকে এই তথ্য জানানো হয়। গত কয়েকদিনে এ দুইটি কোম্পানির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই’র পক্ষ থেকে নোটিস পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে কোম্পানি এ তথ্য জানিয়েছে।