কক্সবাজারে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগে ৫ লক্ষাধিক মানুষ

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৪, ২২:১৫
উপকূলে স্থায়ী ও পর্যাপ্ত বেড়িবাঁধ না থাকায় কক্সবাজারের ৫ লক্ষাধিক মানুষের বসতি এখন সামুদ্রিক জোয়ার ও বন্যার কারণে প্রচণ্ড দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রতিবছর বর্ষার সময় এমন দুর্ভোগে পড়েন উপকূলীয় এলাকার এসব মানুষ। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া, টেকনাফ ও কক্সবাজার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জোয়ারের পানি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়। একদিকে ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে সামুদ্রিক জোয়ারের পানি প্রবেশ করে, আবার অন্যদিকে পাহাড়ি ঢলে এসব এলাকা প্লাবিত হয়। গত সপ্তাহের টানা বর্ষণেও জনগণের দুর্ভোগ ছিল ব্যাপক, ক্ষতির পরিমাণও বিপুল। বিভিন্ন জরিপে দেখা যায়, ভাঙনের শিকার হয়ে গত ৫০ বছরে কুতুবদিয়া দ্বীপ এবং ভোলার প্রায় অর্ধেক ভূ-খণ্ড হারিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশংকা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী ৫০ বছরে এই দুটি দ্বীপ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৬০ ও ৭০ দশকে সিসিব্লক ফেলে উপকূলীয় ভাংগন রোধে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও বিগত ৩০ বছরে বৃহত্ কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি। সম্প্রতিক সময়ে বাস্তবায়িত বেশিরভাগ প্রকল্প আকারে ছোট এবং সমাধানে অস্থায়ী (জিও ব্যাগ, নদীর তীর উপকরণ, রিং বেরী, ইত্যাদি)। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, পানি বিশেষজ্ঞ এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কাজে যুক্ত ব্যক্তিবর্গের মতে, কক্সবাজার জেলার জন্য সীডাইক পদ্ধতিতে বাঁধ নির্মাণই হবে ভাংগন রোধের কার্যকর ও স্থায়ী পদ্ধতি।