সাভারে শিশু শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

আপডেট : ২৯ মে ২০১৯, ০০:২৭

সাভারে আট বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মো. ইসারত (৩৮) নামে মাদ্রাসার প্রধানশিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাভার মডেল থানা পুলিশ সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করে। তবে এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত একই মাদ্রাসার শিক্ষক সাইফুল ইসলাম (৩৫) পলাতক থাকায় এখনো তাকে আটক করতে পারেনি।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার মাদ্রাসা ছুটি হয়ে যাওয়ার পর অন্য শিক্ষার্থীরা বাসায় চলে গেলেও মাদ্রাসা শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ওই শিশুটিকে কৌশলে আটকে রেখে শ্লীলতাহানি করে। বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে মাদ্রাসা শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এবং মাদ্রাসার প্রধানশিক্ষক মো. ইসারতকে আসামি করে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরে পুলিশ ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে মো. ইসারতকে আটক করে। সাভার চামড়া শিল্পনগরী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশের পরিদর্শক মো. গোলাম নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলার পর অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ

সাভারে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে সাভার পৌর এলাকার কাতলাপুর মহল্লার আব্দুল মতিনের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। আটককৃতের নাম মো. মিলন (২৩)। সে কুড়িগ্রাম জেলার রাজাহাট থানার গোকলা গ্রামের  বাসির উদ্দিনের ছেলে। ভুক্তভোগী ওই কিশোরী স্থানীয় একটি স্কুলের ছাত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী সোমবার সন্ধ্যায় কাতলাপুর এলাকায় খালার বাসায় বেড়াতে যায়। এ সময় বাসায় খালাতো বোনের স্বামী ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মিলন ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। এ সুযোগে মিলন ওই শিশুটিকে তার কক্ষে নিয়ে ধর্ষন করে। এ সময় শিশুটির চিত্কারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে মিলনকে আটক করে পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ মিলনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

সাভার মডেল থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। সাভার মডেল থানায় মামলা হয়েছে।