পবিত্র রমজান মাসকে পুঁজি করে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও জমে উঠেছে মুড়ির বাজার। ইফতারের অন্যতম চাহিদাপণ্য হিসাবে মুড়ির আলাদা কদর থাকায় এখানে মুড়ির কদর বেড়েছে। গতকাল সোমবার হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, অলিতে-গলিতে, ফুটপাতে অসংখ্য মুড়ি বিক্রেতা। তারা জানান, স্থানীয় পাইকারী আড়ত থেকে সংগ্রহকৃত এসব মুড়ি খুচরাভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। মুড়িতে ভেজাল আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে মুড়ি বিক্রেতা শামসুল আলম জানান, এ ব্যাপারে তাদের জানা নেই। পাইকারী মুড়ি আড়তদার সিরাজ সওদাগর জানান, চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানে এসব মুড়ি তৈরি করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের মুড়ি তৈরির ছাড়পত্র দেয় বিধায় ঐসব মুড়ি খোলামেলাভাবে বাজারজাত হচ্ছে।
স্থানীয় হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এসএম আবু সাঈদ জানান, মুড়ি ধবধবে সাদা করতে ক্ষতিকর উপাদান মিশ্রিত করা হয়। যা খেলে তাত্ক্ষণিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা না গেলেও পরবর্তীতে জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
