ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজিকে আটক করা হয়েছে। দেশটির রাজধানী প্যারিসের কাছে একটি পুলিশ স্টেশনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সাময়িকভাবে আটক করা হলেও মেয়াদ আরো বাড়ানো হতে পারে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। নির্বাচনে তার তহবিল সংগ্রহের মামলার বিচার প্রক্রিয়ার প্রভাব বিস্তার করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।
দেশটির ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দুর্নীতির ঘটনায় প্রেসিডেন্টকে আটক করা হলো। আগামী ২০১৭ সালে সারকোজি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এই ঘটনায় তার সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়টি ঝুলে গেল। ৫৯ বছর বয়সী সারকোজি ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অবৈধভাবে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন। এ ঘটনায় করা এক মামলায় তিনি একজন বিচারকের কাছ থেকে গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন এবং ওই বিচারককে উচ্চপদে বসানোর লোভ দেখিয়েছিলেন। আপিল বিভাগের ওই জ্যেষ্ঠ বিচারকের নাম গিলবার্ট আজিবার্ট। মধ্যপন্থী এই নেতার সমর্থকরা একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন। তবে সরকারের মুখপাত্র স্টিফেন লি ফোল এই ঘটনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত থাকার কথা নাকচ করে দিয়েছেন। অভিযোগ আছে, ২০০৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সারকোজির নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি প্রভাব রেখেছিলেন।
