ইরাকে নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বিশৃঙ্খলার মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। নূরি আল মালিকির জায়গায় নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারেননি এমপিরা। নিয়োগ করা যায়নি স্পিকারও। ফলে ইরাকের পতন ঠেকাতে আশু কোনো ঐক্য সরকার গঠনের আশা ভঙ্গ হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে এমপিরা স্পিকার নির্বাচনের চেষ্টা নিয়েছিলেন। কিন্তু কুর্দি ও সুন্নি আরব এমপিরা বিরতির পর আর ফিরে না আসায় পুরো প্রক্রিয়াই অসমাপ্ত থেকে যায়। ইরাকে সুন্নি বিদ্রোহীদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ইরান এবং ইরাকের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা সিসতানিও নতুন একজন প্রধানমন্ত্রী এবং সবার অংশগ্রহণে ব্যাপকভিত্তিক সরকার গঠনের তাগাদা দিয়েছিলেন। কিন্তু শিয়ারা মালিকির জায়গায় নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করতে ব্যর্থ হওয়ায় সুন্নি ও কুর্দি এমপিরা বিরতির পর পার্লামেন্টে ফিরতে অস্বীকৃতি জানান। এক-তৃতীয়াংশের কম এমপি বিরতির পর পার্লামেন্টে ফিরে আসলেও সুন্নি পার্টিগুলো জানায়, শিয়ারা নতুন একজন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা না করা পর্যন্ত তারা স্পিকার পদে কোনো প্রার্থী দেবেন না।
ওদিকে কুর্দিরাও প্রেসিডেন্ট পদে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে মূলতবী হয়ে যায় পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন। অন্তত এক সপ্তাহের জন্য আর পার্লামেন্টের অধিবেশন বসছে না। ফলে রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই পড়ে থাকছে দেশ আর সুন্নি ও কুর্দিদের আপত্তির মুখেও তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে ক্ষমতা আঁঁকড়ে থাকছেন মালিকি।
