স্কুলের ফুটবল খেলোয়াড়দের জার্সি বারবার চুরি হয়ে যাচ্ছে দেখে মহা চিন্তায় পড়ে গেলেন দলের কোচ। অনেক চিন্তাভাবনা করে চুরি রোধ করতে জার্সি পেছনে এবার লেখা হলো ‘মডেল স্কুলের জার্সি’। কিন্তু তার পরও জার্সি চুরি থামল না। তাই কোচ আবারও চিন্তাভাবনা করে নতুন জার্সি তৈরি করলেন। জার্সির পেছনে লিখলেন, ‘মডেল স্কুল থেকে চুরি করা জার্সি।’ এবার চুরি বন্ধ হয়ে গেল।
আমিষাশী আর মাংসাশীদের মধ্যে ফুটবল খেলা হচ্ছে। হাফ টাইমের আগেই মাংসাশীরা দু’গোলে এগিয়ে গেল। বিরতির পর আবার খেলা শুরু হল। বাঘ বল নিয়ে এগোচ্ছে। গোলের কাছে প্রায় পৌঁছে গেছে। এমন সময় শুঁয়োপোকার চমত্কার স্লাইডিং ট্যাকলে গোল বেঁচে গেল। নিরামিষাশী ক্যাপ্টেন ঘোড়া দৌড়ে এসে শুঁয়োপোকাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর একটু বিরক্ত হয়েই জিজ্ঞেস করল, এতক্ষণ কোথায় ছিলে? তুমি থাকলে তো দু’-দুটো গোল খেতাম না।
শুঁয়োপাকা বলল, ‘পায়ে বুট পড়ছিলাম!’
প্র্যাকটিসের সময় এক অ্যাথলেট তার কোচকে বলল, আমার স্টপওয়াচে এই মাত্র দেখলাম, আমি বিশ্বরেকর্ডেরও কম সময়ে ৪০০ মিটার দৌড় শেষ করেছি। এটা এখন কাকে জানাব?
কোচ বললেন, ঘড়ির মেকানিককে!
শামীম আজকে তার প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে এসেছে। আর যায় কোথায়, স্যার ওকে পাকড়াও করলেন। জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী ব্যাপার শামীম, এতো দেরি করে এলে কেন? বাড়িতে অন্য কাজ করছিলে বুঝি!’ শামীম গোবেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আজ্ঞে না স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কি, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারলো না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপরে হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেলো! কি করবো স্যার, পুরো খেলা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না, তাই না স্যার?’
