নোয়াখালী জেলার চাটখিলের নোয়াখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির প্রশাসনিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ সকল কাজ সম্পাদন করছেন একজন সহকারী শিক্ষক। এতে করে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, এ বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ২শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে। এখানে প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকের ৫টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে গত ১ বছরেরও অধিক সময় থেকে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ৪জন সহকারী শিক্ষকের স্থলে ৩জন থাকলেও গত ২৯ জুন অবসরে গেছেন সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, বাকি ২ শিক্ষকের মধ্যে সহকারী শিক্ষক ফাতেমা বেগমকে পৌর এলাকার টবগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে। এখানে বর্তমানে ১জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। তিনি প্রধান শিক্ষকের কার্যক্রমসহ ১ম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত সকল শ্রেণীর শিক্ষাদান করছেন। মাঝে-মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজে উপজেলা সদরেও তাকে যেতে হচ্ছে।
যেদিন বিদ্যালয়ের কাজে কোনো স্থানে যেতে হয় সেদিন শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ থাকে। তা ছাড়া ১জন সহকারী শিক্ষকের পক্ষে ৫টি শ্রেণীর শিক্ষাদান করা সম্ভব নয়। বর্তমানে এখানে কর্মরত সহকারী শিক্ষক শারমিন সুলতানা জানান, তিনি যথাসম্ভব চেষ্টা করছেন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া ঠিক রাখার। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মাসুদ জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তিনি কয়েকবার শিক্ষক সংকটের কথা বললেও তিনি তা শুনেননি বরং তিনি এখান থেকে ১জন সহকারী শিক্ষককে অন্যত্র ডেপুটেশনে বদলি করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিহাদ হোসেন জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের ব্যাপারে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
