রেডিমেড ফার্নিচার তৈরিতে কর্ম পেয়েছেন দেড় হাজার শ্রমিক

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৮
পারটেক্স ও লোহার দাপটে হারিয়ে যাওয়া নীলফামারীর সৈয়দপুরে ফার্নিচার শিল্পের আবারো জনপ্রিয়তা বেড়েছে। স্বল্প দর, উন্নত কাঠ ও রকমারি মডেলে নাম পাল্টিয়ে এবার রেডিমেড নামে বাজারজাত হচ্ছে ফার্নিচার শিল্পের আসবাবগুলো। আর তাই দরিদ্র জনগোষ্ঠী ছাড়াও স্বচ্ছল পরিবারেও এখন এর কদর দিন দিন বাড়ছে। এতে এ জনপদে তৈরি রেডিমেড ফার্নিচারের বাজার গোটা উত্তরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় দেড় হাজার পরিবারের জীবিকা নির্বাহ চলছে। এ শহরে এখন বিভিন্ন পাড়া- মহল্লায় গড়ে উঠেছে প্রায় ৭৫টির মতো ছোট-বড় রেডিমেড ফার্নিচার কারখানা। আর এসব কারখানায় কাজ করছেন প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক। শহরের টার্মিনাল রোড, ক্যান্টনমেন্ট রোড, কাজীহাট, হাতিখানা, গোলাহাট, সিনেমা রোড, মিস্ত্রিপাড়া, কুন্দল, কলেজ রোড, রেল লাইনের ধারে, সাহেবপাড়া, বিচালী হাটসহ ছোট- বড় কারখানা ঘুরে দেখা যায়, রেডিমেড ফার্নিচার তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততার দৃশ্য। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের হাতে। রেডিমেড ফার্নিচার তৈরির মালিকেরা জানান, প্লেন সোকেস ১ হাজার ৮শ’ টাকা, সাইড ড্রেসিং ২ হাজার, মিডিল ড্রেসিং সোকেস ২ হাজার, চাইনিজ বোম্বাই খাট ২ হাজার, বক্স খাট ৫ হাজার, সোফাসেট ৮ হাজার, ওয়ারড্রোপ ৬ হাজার টাকায় পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পাইকাররা এসব ফার্নিচার নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করছেন। রবিউল নামে এক পাইকার জানান, উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন হাটবাজারে এসব রেডিমেড ফার্নিচার নিয়ে যাই। ফার্নিচারগুলো পিস প্রতি ৫শ’ থেকে ৫ হাজার টাকা লাভে বিক্রি করি। তবে এসব বেশি কিনছেন দরিদ্র মানুষেরা।