সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি অভিযোগ করেছেন, ফ্রান্সের বিচার ব্যবস্থা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহূত হচ্ছে। প্রভাব বিস্তারের সন্দেহে এক মামলায় আনুষ্ঠানিক তদন্তের আওতায় আসার পর তিনি গত বুধবার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাত্কারে এ কথা বলেন।
সাক্ষাত্কারে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সারকোজি বলেন, ‘আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমার সুনাম নষ্ট ও হেয় করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আমি সত্য ঘটনা বলতে চাই।’ আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরুর আগে মঙ্গলবার তাকে আটক করা হয়। এদিন রাতেই দেশটির রাজধানী প্যারিসের একজন বিচারকের সামনে তাকে হাজির করা হয়। এরপর তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
দুর্নীতির অভিযোগে ফ্রান্সে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে আটক করার ঘটনা এটিই প্রথম। ক্ষমতায় থাকাকালে প্রভাব খাটিয়ে তিনি অবৈধভাবে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন এবং এ ঘটনায় করা এক মামলায় তিনি একজন বিচারকের কাছ থেকে গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন— সারকোজির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, ওই বিচারককে উচ্চপদে বসানোর লোভও দেখিয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন সারকোজি। ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
