জিহাদের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন বাংলাদেশি রাহাতুল

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৪, ২২:২১
জঙ্গিদের সহযোগিতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে আটক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান রাহাতুল আশিকিম খান দোষ স্বীকার করেছেন। গত বুধবার তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করেন বলে ভারতের এনডিটিভির অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এই অভিযোগে গত ১৭ জুলাই খান ও আরেকজনকে আটক করে সেন্ট্রাল টেক্সাস জয়েন্ট টেরোরিজম টাস্ক ফোর্সের কর্মকর্তারা। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের বস্তুগত সহায়তা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। একজন আইনজীবী বলেন, টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাহাতুল খান ফেডারেল কোর্টে দোষ স্বীকার করেন। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে তার ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি বলেন, খান এফবিআইয়ের একজন আন্ডারকাভার এজেন্টের কাছে মুসলিম সন্ত্রাসবাদের যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন। এমনকি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির কথাও বলেছিলেন তিনি। জুনে রাহাতুল আশিকিম খান এবং মাইকেল টড উলফ নামে দুইজনকে আটক করা হয়। আশিকিম খান টেক্সাসের রাউন্ড রকে বসবাস করেন। খানকে তার বাড়ি থেকে এবং উলফকে ইউরোপের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের সময় এয়ারপোর্ট থেকে আটক করা হয়। আদালতের তথ্য অনুযায়ী আশিকিম ২০০২ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন। তিনি অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুল টাইম ছাত্র। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি একটি অনলাইন চ্যাটে অংশ নিতেন। এর মাধ্যমে তিনি সন্ত্রাসী কাজে অংশ নিতে লোক বাছাই করতেন। একজন ইনফরম্যান্টের সঙ্গে যোগাযোগকালে ২০১১ সালে এটা তাকে করতে দেখা যায়। সেই থেকে এফবিআই পিছু নেয় তার। অশিকিম ওই ইনফরম্যান্টকে বলেন যে, দুর্বল ও অভাগা বাঙ্গালি জেহাদকে ভয় পায়। বাঙ্গালিদের এই দুর্গতি দেখে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটে। আশিকিমের কথায়, বাঙ্গালি জিহাদকে ভালোবাসে না। বাঙ্গালি জিহাদের জন্য রক্ত দিতে জানে না। মার্কিন আদালতে পেশ করা নথিতে এসব কথা বর্ণনা করা হয়েছে।