কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রাম এলাকায় গোমতী নদীর পশ্চিমপাড়ের বাঁধে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে নদী এলাকার কয়েকশ’ ঘরবাড়ি, একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ, কবরস্থান ও মত্স্য প্রকল্পসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্রমে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্ষার শুরুইে বৃষ্টির প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে গোমতী বাঁধের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেঙ্গে পড়ছে।
উপজেলার নারান্দিয়া এলাকায় গোমতীর পশ্চিম পাড়ের প্রায় ১ কিলোমিটার জুড়ে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া আফজলকান্দি, খানেবাড়ী, গোবিন্দপুর, উত্তর ও দক্ষিণ মানিককান্দি, ঘোষকান্দি, দাসকান্দি, হরিপুর বাজার, দুলারামপুর, দড়িকান্দি, নারায়ণপুর, হাইধরকান্দি,আসমানিয়া,নারান্দিয়া পূর্বপাড়, রসুলপুর, জিয়ারকান্দি, শোলাকান্দি ও লালপুর গ্রামের সংলগ্ন অংশেও তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এদিকে নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়ে চলতি বর্ষা মৌসুমে নাছির, নায়েব আলী, হানিফ, সাগরসহ আরো অনেকের বাড়ি-ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয় এমপি মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সালাহ্উদ্দিন সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিহা ফেরদৌসীসহ জনপ্রতিনিধিরা ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং তারা ভাঙ্গন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন বলে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিহা ফেরদৌসী জানান, প্রাথমিকভাবে বাঁশের বেড়া ও মাটির বস্তা ফেলে নদী ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।
