সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আনন্দ স্কুলের নামে চলছে অর্থ লুটপাট। সরকার ঝরে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আনন্দ স্কুল নামে একটি প্রকল্প চালু করে। এ উপজেলায় ২ ধাপে ১১০টি আনন্দ স্কুল স্থাপিত হয়। কিন্তু বিধি উপেক্ষা করে কিছু সংখ্যক অসাধু লোক কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে নিজের খেয়াল খুশি মতো স্কুল স্থাপন করেছে। প্রতি স্কুলে ৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকার কথা থাকলেও কিছু অসত্ লোক নামমাত্র জরিপ দেখিয়ে একই বাড়িতে ২টি স্কুল দেখিয়ে সরকারের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত্ করছে। মধ্য বেলকা আনন্দ স্কুল, মকবুলের বাড়ি আনন্দ স্কুল নাম দুটি ব্যবহার করে একই বাড়িতে একটি চালা ঘরে স্বামী আনিছুর রহমান স্ত্রী ইয়াসমিনকে শিক্ষক দেখিয়ে নামে বেনামে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত্ করছেন। এছাড়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে চলমান ৬০টি স্কুলের মধ্যে দক্ষিণ হাতিবান্ধা, ঘগোয়া ব্যাপারী পাড়া, আমজাদের বাড়ি, নিজাম খাঁ আবুল কাশেমের বাড়ি, ফলগাছা ব্রীজপাড়া, পশ্চিম রাজীবপুর ঈসমালের বাড়ি, পূর্ব তালুক বেলকা তালেবে’র বাড়ি, তালুক বেলকা ছলিমের বাড়ি, দক্ষিণ সাহাবাজ জুয়েলের বাড়ি চৌধুরি বাজার, উত্তর শ্রীপুর হাফিজারের বাড়ি ও মধ্য তারাপুর আনন্দ স্কুলের ছাত্র ও ঘরের কোন অস্তিত্ব নেই। উল্লে¬খিত নামের বিপরীতে শিক্ষক দেখিয়ে টিসি বিশেষ কমিশনের মাধ্যমে টাকা বিতরণ দেখান। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
