লক্ষ্মীপুরে লঞ্চ ও ফেরিঘাট দখল নিয়ে দু’পক্ষ মুখোমুখি

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৪, ২১:৩৮
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজু চৌধুরীর হাট লঞ্চ ও ফেরিঘাটের ইজারা দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোটি টাকা আয়ের ঘাট দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে কলকাঠি নাড়ছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা। এ ঘাট দখল যে গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকবে আগামী দিনের সদর উপজেলার রাজনীতি সে গ্রুপই নিয়ন্ত্রণ করবে। বর্তমান ইজারাদার ফারুক আহম্মেদের পক্ষে গত ১ জুলাই ঘাটটি দখলে নিতে যায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী। এ সময় পূর্ব থেকে দখলে থাকা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেনের লোকজন দেশীয় তৈরি অস্ত্র নিয়ে ওই ঘাটে পৃথকভাবে অবস্থান নিয়ে ঘাটের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে ইজারাদারের লোকজন ঘাট এলাকা ত্যাগ করে। এ নিয়ে যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর হাট ফেরি ও লঞ্চ ঘাট কেন্দ্রিক পাথর, বালু, ইট, লঞ্চ, ট্রলারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ইজারাদাররা। এসব ব্যবসা ছাড়াও এ ঘাট থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক ও অবৈধ ব্যবসা স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মো. মোবারক হোসেন জানান, ঘাটে যখন দুটি পক্ষ অবস্থান নিতে চাচ্ছে, আমরা একটি পক্ষকে ইজারা দিয়েছি, আরেক পক্ষ বাধা দিচ্ছে তাই আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ করে মীমাংসা করার চেষ্টা করছি। লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার শাহ মিজান সাফিউর রহমান জানান, ইজারাদার দু’পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করেছি। উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখে তাদের সাথে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।