কাঁঠালের দরপতনে বাগান মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৪
পশ্চিমের জেলাগুলোতে এবারও কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন ভরা মৌসুম চলছে। কাঁঠালের হাটগুলোতে বিপুল পরিমাণ কাঁঠাল উঠছে। তবে দরপতনে বাগান মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ৮০ টাকায় একটি ঢাউস সাইজের কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে। আর ছোট সাইজের একটি কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে ৭/৮ টাকায়। যশোর, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, নড়াইল, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলাতে বাণিজ্যিকভাবে প্রায় ৩০ বছর ধরে কাঁঠাল বাগান সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বাগানে কাঁঠাল ধরার পর কাঁঠালের উত্পাদন বহুগুণ বেড়ে গেছে। আগেরদিনে মানুষ পারিবারিক প্রয়োজনে কাঁঠাল গাছ লাগাতো। এখন কাঁঠাল বিক্রি করা হয়। জ্যৈষ্ঠ মাস হতে ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর, কোটচাঁদপুর, কালীগঞ্জ, বারোবাজার, ঝিনাইদহ সদর, শৈলকুপা, হাটগোপালপুর ও ডাকবাংলা, যশোর জেলার বারিনগর, চৌগাছা, ঝিকরগাছা, রূপদিয়া, বসুনদিয়া, নওয়াপাড়া, খাজুরা ও নাভারন, মাগুরা জেলার সদর, শ্রীপুর, লাঙ্গলবাঁধ, শত্রুজিত্পুর, মহম্মদপুর, বিনোদপুর, আড়পাড়া ও শালিখা, চুয়াডাঙ্গা জেলার ডিঙ্গেদাহ, সদর, জীবননগর, আলমডাঙ্গা ও মুন্সিগঞ্জ, কুষ্টিয়া জেলার বিত্তিপাড়া, ঝাউদিয়া, হরিনারায়ণপুর, পান্টি, খোকসা, প্রাগপুর ও আল্লারদরগা, মেহেরপুর জেলার গাংনী, বামুনদী, সদর ও মুজিবনগর প্রভৃতি স্থানে কাঁঠালের পৃথক হাট বসে। হাট আশ্বিন মাস পর্যন্ত চলে। ব্যাপারীরা এ কাঁঠাল কিনে ট্রাকযোগে ঢাকা, বরিশাল, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান নিয়ে যায়। মাদারীপুরের ব্যাপারী আহম্মদ আলি জানান, এবার ছোট সাইজের কাঁঠাল প্রতি শ’ ৮শ’ টাকা দরে, মাঝারি সাইজের কাঁঠাল প্রতি শ’ দু’হাজার-আড়াই হাজার টাকা, তার চেয়ে বড় সাইজ প্রতি শ’ পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা এবং বড় সাইজ প্রতি শ’ ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। দরপতনের কারণে অনেক গৃহস্থ কাঁঠাল গরুকে খাওয়াচ্ছে।