ফুলবাড়িতে আন্তঃনগর ট্রেনের আসন সংকট

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৯
আসন সংকটের কারণে দুর্ভোগে পড়ছেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ি রেল স্টেশনের যাত্রীরা। রেলস্টেশনে এসেও টিকিট না পেয়ে প্রতিদিন শতাধিক যাত্রীকে ফিরে যেতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই অধিক অর্থ ব্যয়ে পার্শ্ববর্তী পার্বতীপুর ও সৈয়দপুর স্টেশন থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলা সদর ও পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের পরই গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয়কারি স্টেশন হচ্ছে ফুলবাড়ি। দিনাজপুরের বেশিরভাগ যাত্রী ফুলবাড়ি হয়ে ঢাকা, খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রেনে যাতায়াত করেন। এছাড়াও এখানে বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর, পার্শ্বে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিসহ বিভিন্ন প্রকার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর থাকায় ঐসব দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ লোকজনদের দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলপথে এবং সড়ক পথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ফুলবাড়ি। এ কারণে ফুলবাড়ি রেল স্টেশনের গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রতিদিন ফুলবাড়ি হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করছে ৭টি আন্তঃনগর ট্রেন। এসব ট্রেনে যাতায়াতের জন্য রেল স্টেশনে বিপুল সংখ্যক যাত্রীর উপস্থিতি ঘটলেও আসন সংকটের কারণে ট্রেন ভ্রমণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শতকরা ৭৫ ভাগ যাত্রীই। ফুলবাড়ি রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, এ স্টেশন দিয়ে রূপসা, সীমান্ত, বরেন্দ্র, তিতুমীর, দ্রুতযান, একতা ও নিলসাগর নামের ৭টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। এরমধ্যে ঢাকাগামী আন্তঃনগর দ্রুতযান, একতা ও নিলসাগর, খুলনা গামী সীমান্ত এবং রাজশাহী গামী বরেন্দ্র ট্রেনের আসন সংকটের কারণে যাত্রীদের চাহিদানুযায়ী টিকিট পাচ্ছেন না। স্টেশন মাস্টার আব্দুল বারী বলেন, প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনের যে সংখ্যক আসন বরাদ্দ রয়েছে তার সবটাই বিক্রি হয়ে যায়। আসন সংকটের কারণে বাড়তি যাত্রীদেরকে টিকিট দেয়া যায় না।