আজ ৬ রমজান। জানা যায় আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু হযরত মূসা ‘আলায়হিস্ সালামের নিকট প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর পূর্বে তওরাত কিতাব নাযিল করেছিলেন রমাদানুল মুবারকের ৬ তারিখে। এই কিতাব নাযিল হয়েছিলো পাথরের ফলকে উত্কীর্ণ অবস্থায়। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে: আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, শাশ্বত। (হে রসূল) তিনি সত্যসহ আপনার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যা পূর্বেকার কিতাবের সমর্থক, আর তিনিই নাযিল করেছিলেন তওরাত ও ইঞ্জিল, (সূরা আল ইমরান : আয়াত- ২-৩)।
আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন: মূসা যখন আমার নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হলো এবং তার রব্ তার সঙ্গে কথা বললেন তখন সে (মূসা) বললো: হে আমার রব্। আমাকে দর্শন দিন। আমি আপনাকে দেখেবা। তিনি (আল্লাহ্) বললেন: তুমি আমাকে কখনোই দেখতে পাবে না বরং তুমি ঐ পাহাড়ের প্রতি লক্ষ্য করো, ওটা যদি স্বস্থানে স্থির থাকে তা হলে তুমি আমাকে দেখবে। যখন তার রব্ পাহাড়ে নূরের বিকিরণ ঘটালেন তখন তা পাহাড়কে চূর্ণ-বিচূর্ণ করলো আর মূসা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লো। যখন সে জ্ঞান ফিরে পেলো তখন বললো: আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি আপনার নিকট তওবা করছি এবং মু’মিনদের মধ্যে আমিই প্রথম। তিনি (আল্লাহ্) বললেন: হে মূসা! আমি তোমাকে আমার রিসালত ও আমার কালাম দ্বারা মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। সুতরাং আমি যা দিলাম তা গ্রহণ করো এবং কৃতজ্ঞ হও। আর তাকে আমি সর্ববিষয়ে উপদেশ এবং সকল বিষয়ের বিশদ বিবরণ ফলকে লিপিবদ্ধ করে দেই। (সূরা আ‘রাফ: আয়াত-১৪৩-১৪৫)।
তওরাত নাযিলের পূর্বে আল্লাহ্ মূসাকে ৪০ দিন তুর পর্বতে অবস্থান করে লাগাতার সিয়াম পালন করবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তওরাতে আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের পৃথিবীতে আগমনের আগাম খবর দেয়া হয়। বলা হয়েছে: মহা প্রভু বলেন: আমি প্রকম্পিত করে দেবো সব জাতিকে অতঃপর সব জাতির হিম্দা আসবেন।
