বাঘায় গাছের সাথে বেঁধে কলেজ ছাত্রীর বিয়ে, জামাই লাপাত্তা

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৪, ২২:৩৭
বাঘায় গাছের সাথে বেঁধে রাখার পর রাতে দুই সন্তানের জনকের সাথে এক কলেজ ছাত্রীর বিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে বিয়ের পর ওই জামাই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ওই ছাত্রী। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকার নুরুজ্জামানের পুত্র শহিদুল ইসলাম (৩৫) ঘরে স্ত্রী-সহ দুটি সন্তান থাকার পরও একই এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর সাথে প্রেম করে আসছিল। তারা বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার সময় বাড়ির পাশে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়। এসময় এলাকার লোকজন তাদের হাতে-নাতে ধরে আম গাছের সাথে বেঁধে রেখে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আজের আলী, আলতাব হোসেন, ইয়ার উদ্দিন, উজ্জ্বল ও হাফেজ জানান, রমজান মাসে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়ায় স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে তাদের কিছু সময়ের জন্য গাছের সাথে বেঁধে রেখে ছিল। কিন্তু পরে উভয়ের সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে দেয়া হয়। তবে বিয়ের পর জামাই শহিদুল ইসলাম যে পালিয়ে যাবে এটা তারা ভাবতেও পারেনি। এদিকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে কলেজ ছাত্রীর বিয়ে দেয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুর রহমান জানান, তার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ আসেনি। তবে লোকমুখে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন।