পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশনের গাড়ি বহরে হামলা

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৪, ২২:২৮
রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আর্ন্তজাতিক কমিশনের গাড়ি বহরে হামলা হয়েছে। রাঙ্গামাটি পর্যটন মোটেলে সকাল থেকে বাঙালিদের দ্বারা অবরুদ্ধ থাকার পর দুপুর দেড়টায় কড়া পুলিশ প্রহরায় একটি মাইক্রোবাস যোগে রাঙ্গামাটি যাওয়ার পথে ওমদামিয়া হিল এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা কমিশনের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় গাড়িতে অবস্থানরত কতোয়ালি থানার ওসি মনি ইমতেয়াজ সোহেল, সিএইচটি কমিশনের সদস্য ইলোরা দেওয়ান ও গাড়ি চালক জুয়েল মাথায় আঘাত পান। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও দুই রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোস্তফা কামাল জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের রাঙ্গামাটি সফরের বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়নি। কমিশনের সদস্যরা একটি বিয়ের দাওয়াতে এসে রাঙ্গামাটি পর্যটন মোটেলে অবস্থান নেন। সকালে তারা রাঙ্গামাটি ত্যাগ না করে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করলে বাঙালি সংগঠনগুলো বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করে । সিএইচটি কশিনের সদস্যদের দুপুর আড়াইটায় জেলা প্রশাসকের দুইটি গাড়ি করে উন্নত চিকিত্সার জন্য রাঙ্গামাটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিক্ষুব্ধ বাঙালি সংগঠনগুলো অবরোধ তুলে নেয়। চট্টগ্রাম অফিস জানায়, রাঙামাটি থেকে চট্টগ্রাম ফিরে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের কো-চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত আলোচনায় অংশ না নিয়ে রাঙ্গামাটিতে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে সম-অধিকার আন্দোলন। তিনি বলেন, শনিবার রাঙামাটি থেকে পুলিশ পাহারায় ফেরার পথে কমিশনের গাড়ি বহরে ?হামলা চালানো হয়। হামলায় আহত ইলোরা দেওয়ান মাথায় ব্যাণ্ডেজ বাঁধা অবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট খুশি কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও অধ্যাপক স্বপন আদনান।