বাগেরহাটে এক বছর পর নছিমন চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৪, ২১:২০
বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠি এলাকার চাঞ্চল্যকর নছিমন চালক নিখোঁজের প্রায় এক বছর পর সন্ধান মিললেও চালকের লাশ এখনও পাওয়া যায়নি। ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা নছিমন চালককে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। সূত্রে প্রকাশ, বাগেরহাট সদর উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মোল্লার পুত্র মামুন মোল্লাকে (২০) গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ৮টার সময় অজ্ঞাত যাত্রীরা ১২০০ টাকায় তার নছিমন ভাড়া ঠিক করে। তারা সিএন্ডবি বাজার হয়ে খুলনায় যাবে বলে চালকের সাথে কথা ছিল। কিন্তু পরদিনও চালক বাড়ি ফিরে না আসায় তার পরিবারের লোকজন আতংকিত হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে বাগেরহাট সদর থানায় একটি জিডি করে। পরবর্তীতে গত ১ জুলাই নছিমন চালক মামুনের বাবা আব্দুল্লাহ মোল্লা বাদী হয়ে নিজাম, সোহাগ, ইব্রাহিম ও জুনুর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুলকাঠি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আজগর আলীর নেতৃত্বে ঐদিন সকাল ৭টায় স্থানীয় ভট্ট আবাসনের মৃত আব্দুল ফকিরের পুত্র সোহাগ ও গোলাম মোস্তফার ছেলে ইব্রাহিম মোল্লাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আটক করে। আটককৃতরা নছিমন চালক মামুনকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যার পর বটিয়াঘাটা কাজীবাজা নদীর চরে লাশ পুঁতে রেখেছে বলে স্বীকার করেছে এসআই আজগর আলী জানান। তারা পুলিশকে আরো জানায় যে, নিহতের নছিমনটি ২৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে। পরে দাকোপের জয়নুল আবেদীনের কাছ থেকে উক্ত নছিমনটি উদ্ধার করা হয়।