কাজ পেয়ে ভিক্ষাকে না বললেন ৯১৬ ভিক্ষুক

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৪, ২১:৩৩
* ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি ও উপকরণ পেলেন ১৩৭ জন * ২৩১ জন একটি বাড়ি একটি খামারের সদস্য * বিধবা ভাতা ও ৪০ দিনের কর্ম পাবেন ২৩১ জন * ৫৪৬ জন ভিক্ষুক পাবেন বয়স্ক ভাতা * প্রতিবন্ধী ভাতা পাবেন ৬২ জন ভিক্ষাবৃত্তির অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়ে কর্মীর প্রশংসায় বুক ফুলিয়ে ঘুরছে কিশোরগঞ্জের ৯১৬ জন ভিক্ষুক। উদ্যম ও কর্মে এখন তারা সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখছেন। গত ৫ জুলাই ভিক্ষুক সমাবেশের মাধ্যমে এ উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ভিক্ষুকদেরকে বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার মিলে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রকৃত ভিক্ষুকের তালিকা তৈরি করা হয়। ১৩৭ জন ভিক্ষুককে ১৫০০ টাকা দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসার উপকরণ ও দ্রব্যসামগ্রী প্রদান, ২৩১ জন ভিক্ষুকের অনুকূলে ২৪শ’ করে টাকা দিয়ে একটি বাড়ি একটি খামারের সদস্যকরণ, ২৩১ জন ভিক্ষুককে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা এবং ৪০ দিনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্তকরণ করা হয়। ৫৪৬ জন বয়স্ক ভিক্ষুককে বয়স্ক ভাতা, ২০৯ জন ভিক্ষুককে বিধবা ভাতা ও ৬২ জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়। উপজেলা পরিষদে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করে ২ জন ভিক্ষুককের কর্মসংস্থানসহ অনেক ভিক্ষুককে দু’ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাদের আর্থিক ও সামাজিক দীনতা দূরীকরণের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়। কোন ভিক্ষুকের সমস্যা হলে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা পুনর্বাসন কমিটিকে জানাতে হবে। এদের কাউকে ভিক্ষা করতে দেখলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সমাবেশে উল্লেখ করা হয়।