ফরিদপুরে দুই কিলোমিটারের মধ্যে একই দিনে বসে দুইটি পশুর হাট। একটি বৈধ অপরটি অবৈধ। একটি সালথা উপজেলার সোনাপুরে অপরটি বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজারে। এ নিয়ে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম উত্তেজনা। অন্যদিকে অবৈধ হাট বসানোর কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বৈধ হাটের ইজারাদার আর সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
প্রায় ২০ বছরের পুরানো সালথা উপজেলার সোনাপুর পশুর হাটটি এ বছর ১৭ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকায় ইজারা পান সালথা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাদল হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, গতবারের ইজারাদার হাটের ইজারা না পেয়ে পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজারের কয়েকজন প্রভাবশালীর যোগসাজশে একই দিনে সেখানে পশুর হাট বসাচ্ছেন দেড়মাস যাবত্।
সোনাপুর হাটের ইজারাদার বাদল ইত্তেফাককে জানান, সোনাপুর হাটটি বৈধ, সরকারি ডাকের মাধ্যমে আমি ইজারা নিয়েছি। কিন্তু ২ কিলোমিটার দূরে বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজারে একই দিনে অবৈধ ভাবে হাট বসিয়ে আমাকে আর্থিকভাবে ক্ষতি করছে। এতে শুধু আমি নই সরকারও বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। অবৈধ পশুর হাটের ব্যাপারে ময়েনদিয়া বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান শিকার করেছেন যে, এই বাজারে পশুর হাট বসানোর সরকারি কোন অনুমতি নেই। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের চাপে পশুর হাট বসানো হয়েছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুর রশিদ বোয়ালমারী ময়েনদিয়া বাজারের পশুর হাটটি অবৈধ উল্লেখ করে বলেন, আমরা অল্প সময়ের মধ্যে উভয় গ্রুপের লোকদের নিয়ে বসবো।
