কোন বিষয়ে রুলিং দেবেন কি দেবেন না সেটি একান্ত স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিষয়

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৪, ২২:৪৭
‘দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনে অসংসদীয় ও অশালীন ভাষার ব্যবহার বন্ধে স্পিকার ছিলেন নীরব, তিনি কোনো রুলিং দেননি’- গতকাল সোমবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ‘পার্লামেন্টওয়াচ’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গতরাতে ইত্তেফাককে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, স্পিকার কোন বিষয়ে রুলিং দেবেন কী দেবেন না, সেটি একান্তই স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। স্পিকার যখন প্রয়োজন মনে করবেন তখন রুলিং দেবেন, যখন প্রয়োজন মনে করবেন না-তখন দেবেন না। এখানে অন্য কেউ কোনো মতামত দিলে সেটি তাদের বিষয়। ‘দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় এবং অনির্ধারিত আলোচনায় বেশি সময় ব্যয় হয়েছে প্রাক্তন বিরোধী দল (বিএনপি) ও একজন প্রয়াত রাষ্ট্রপতির (জিয়াউর রহমান) সমালোচনায়’- টিআইবি’র প্রতিবেদনে থাকা এই অভিযোগ সম্পর্কে স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তারা সংসদে কোন বিষয়ে কথা বলবেন বা আলোচনা করবেন, সেই সিদ্ধান্ত তাদের। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনে মোট ১৭ ঘণ্টা ৭ মিনিট কোরাম সংকট হয়েছে বলেও টিআইবি যে দাবি করেছে, সেটির জবাবে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, এবারের সংসদে কোরাম সংকট ছিল না। কোরাম না থাকলে তো সংসদ বসে না। যখন কোরাম হয়, তখনই সংসদ বসে। তাছাড়া বিরোধী দল এবার শুরু থেকে প্রতিটি কার্যদিবসেই সংসদে উপস্থিত ছিল।